x
d o c t o r s 2 4
14 Jan

অনেকেই মনে করেন, বেশি করে পানি পান করলেই ত্বক হাইড্রেটেড থাকবে। এটি আংশিক সত্য। ত্বক হাইড্রেটেড রাখা মানে ত্বকের কোষে পানি ধরে রাখা এবং সেই পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যাওয়া রোধ করা। ‘ড্রাই স্কিন’ (তেল বা সিবামের অভাব) এবং ‘ডিহাইড্রেটেড স্কিন’ (পানির অভাব)—এই দুটির মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি।

পানি ও হাইড্রেশনের বিজ্ঞান:

শরীরের ভেতর থেকে হাইড্রেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শসা, তরমুজ বা ডাবের পানির মতো পানীয় ত্বকের কোষে পানি পৌঁছে দেয়। তবে সেই পানি ত্বকে আটকে রাখার জন্য প্রয়োজন সঠিক স্কিনকেয়ার।

ময়েশ্চারাইজারের ভূমিকা:

  • হিউমেকট্যান্টস (Humectants): যেমন গ্লিসারিন বা হায়ালুরনিক অ্যাসিড (Hyaluronic Acid)। এরা বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে ত্বকের স্তরে নিয়ে আসে।

  • অক্লুসিভস (Occlusives): যেমন পেট্রোলিয়াম জেলি বা শিয়া বাটার। এরা ত্বকের ওপর একটি প্রলেপ তৈরি করে যাতে পানি বাষ্পীভূত হতে না পারে।

  • সেরামাইডস (Ceramides): এটি ত্বকের সুরক্ষা প্রাচীর বা ব্যারিয়ার মেরামত করে।

সঠিক নিয়ম:

গোসলের পর বা মুখ ধোয়ার পর ত্বক যখন সামান্য ভেজা থাকে, তখনই ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। এটি আর্দ্রতা লক করতে সাহায্য করে। এসি রুমে থাকলে ত্বকের আর্দ্রতা দ্রুত হারায়, তাই মাঝে মাঝে ফেসিয়াল মিস্ট ব্যবহার করা উপকারী। মনে রাখবেন, তৈলাক্ত ত্বকেরও হাইড্রেশন প্রয়োজন, তবে সেক্ষেত্রে জেল-বেসড বা হালকা ময়েশ্চারাইজার বেছে নিতে হবে।

Leave A Comment