x
d o c t o r s 2 4
16 Jan

শিশুর জন্মের পর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেম সম্পূর্ণ বিকশিত থাকে না। এটি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়। বর্তমান বিশ্বে নতুন নতুন ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে শিশুর ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো বাবা-মায়ের প্রধান দুশ্চিন্তার বিষয়।

পুষ্টির ভূমিকা:

শিশুর ইমিউন সিস্টেমের ৭০ শতাংশই নির্ভর করে তার অন্ত্রের বা ‘গাট হেলথ’-এর ওপর।

  • মায়ের দুধ: জন্মের পর প্রথম ৬ মাস মায়ের দুধ হলো শিশুর প্রথম টিকা। এতে থাকা অ্যান্টিবডি শিশুকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

  • জিংক ও ভিটামিন ডি: ইমিউন কোষগুলোর সঠিক কার্যকারিতার জন্য জিংক অপরিহার্য। বাদাম, ডাল ও ডিমে প্রচুর জিংক থাকে। অন্যদিকে, হাড়ের গঠন ছাড়াও শ্বেত রক্তকণিকা সক্রিয় করতে ভিটামিন ডি বা সূর্যের আলো জরুরি।

  • রঙিন সবজি ও ফল: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গাজর, মিষ্টি কুমড়া, এবং সাইট্রাস ফল শিশুর কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়।

টিকার গুরুত্ব:

টিকা হলো একটি ‘প্রশিক্ষণ সেশন’ যা শিশুর শরীরকে ভবিষ্যতের জীবাণুর সাথে লড়াই করতে শেখায়। সময়মতো বিসিজি, পোলিও, হাম-রুবেলা বা নিউমোনিয়ার টিকা দেওয়া শুধুমাত্র ওই নির্দিষ্ট রোগ থেকেই বাঁচায় না, বরং এটি ‘হার্ড ইমিউনিটি’ তৈরিতেও সাহায্য করে।

অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতা অনেক সময় শিশুর জন্য খারাপ হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘হাইজিন হাইপোথিসিস’। শিশুকে কিছুটা ধুলোবালি বা প্রকৃতির সংস্পর্শে খেলতে দিলে তার শরীর বিভিন্ন অ্যালার্জেন এবং জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে।

Leave A Comment