x
d o c t o r s 2 4
15 Jan

সারা রাত ঘুমানোর পরও কি সকালে ক্লান্ত লাগে? কাজের মাঝে বারবার হাই ওঠে? এই সমস্যাকে বলা হয় ‘ক্রনিক ফ্যাটিগ’ বা দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি। এর পেছনে কেবল ঘুমের অভাব নয়, বরং খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টির ঘাটতিও দায়ী হতে পারে।

খাদ্য ও শক্তি:

শরীরে শক্তির প্রধান উৎস গ্লুকোজ হলেও, চিনিযুক্ত খাবার বা সিম্পল কার্বোহাইড্রেট (সাদা পাউরুটি, বিস্কুট) রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয় এবং দ্রুত কমিয়ে দেয় (সুগার ক্র্যাশ), ফলে ক্লান্তি আরও বাড়ে।

  • কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট: ওটস, লাল চাল বা আটার রুটি ধীরে ধীরে শক্তি যোগায়।

  • আয়রণ ও ভিটামিন বি-১২: রক্তশূন্যতা ক্লান্তির অন্যতম কারণ। পালং শাক, কলিজা, বা ডিমের কুসুম শক্তির স্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে।

  • ম্যাগনেসিয়াম: এই খনিজটি খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে। বাদাম ও কলায় প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম থাকে।

ঘুম ও জীবনযাত্রা:

  • পাওয়ার ন্যাপ: দুপুরে ২০ মিনিটের একটি ছোট ঘুম বা ন্যাপ মস্তিষ্ককে রিফ্রেশ করতে পারে। তবে এটি ৩০ মিনিটের বেশি হলে উল্টো অলসতা আসবে।

  • কফি পানের সময়: ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই কফি পান না করে অন্তত এক ঘণ্টা পর পান করুন। এতে কর্টিসল হরমোনের স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক থাকে।

  • হাইড্রেশন: ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং ক্লান্তির সৃষ্টি করে। কাজের ফাঁকে নিয়মিত পানি পান করুন।

Leave A Comment