x
d o c t o r s 2 4
04 Oct

বাংলাদেশের প্রত্যন্ত এলাকায়, যেখানে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো কঠিন, সেখানে মোবাইল ম্যামোগ্রাফি ইউনিট (এমএমইউ) এবং যোগা ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ডায়েটের সমন্বিত পদ্ধতি ব্রেস্ট ক্যান্সার সনাক্তকরণ ও প্রতিরোধে নতুন আশার আলো জ্বালাচ্ছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবার সীমিত সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এমন গ্রামীণ নারীদের জন্য এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।

অক্টোবরের ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতা মাসে এই উদ্যোগগুলো নতুন গতি পেয়েছে, যা গ্রামীণ নারীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবাকে দূরের স্বপ্ন থেকে বাস্তব সুরক্ষায় রূপান্তরিত করছে।

গ্রামীণ এলাকার নারীরা প্রায়ই সচেতনতার অভাব, যাতায়াতের সমস্যা এবং অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে নিয়মিত ব্রেস্ট ক্যান্সার স্ক্রিনিংয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। মোবাইল ম্যামোগ্রাফি ইউনিট (এমএমইউ) এই সমস্যার সমাধান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এই চলমান স্ক্রিনিং ক্যাম্পগুলো গ্রামে গিয়ে নারীদের দোরগোড়ায় স্তন ক্যান্সার সনাক্তকরণের সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল ম্যামোগ্রাফি ইউনিট দুর্গম এলাকায় স্ক্রিনিংয়ের হার ৩০% পর্যন্ত বাড়িয়েছে। বাংলাদেশে পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু হওয়া এই ইউনিটগুলো ইতোমধ্যে হাজার হাজার নারীকে স্ক্রিনিংয়ের আওতায় এনেছে।

 একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, তিন বছরে মোবাইল ইউনিটের মাধ্যমে ৩,৫০০ নারীকে পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩০০টিরও বেশি সন্দেহভাজন ক্যান্সার কেস সনাক্ত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, এই পদ্ধতি প্রাথমিক সনাক্তকরণে অত্যন্ত কার্যকর।

এআই প্রযুক্তি:

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমন্বিত ম্যামোগ্রাফি সনাক্তকরণ হার ১৭.৬% বাড়িয়েছে, ফলস পজিটিভ ছাড়াই। বাংলাদেশে এই প্রযুক্তি সীমিতভাবে ব্যবহৃত হলেও ভবিষ্যতে এটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

চ্যালেঞ্জ

খরচ ও রক্ষণাবেক্ষণ: মোবাইল ইউনিট পরিচালনা ও প্রযুক্তি রক্ষণাবেক্ষণে উচ্চ ব্যয়।

প্রশিক্ষিত কর্মী: দক্ষ টেকনিশিয়ান ও স্বাস্থ্যকর্মীর অভাব।

সচেতনতার ঘাটতি: গ্রামীণ নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজন।

রেফারেল ব্যবস্থা: সন্দেহজনক কেসের জন্য দ্রুত উন্নত চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠানোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

Leave A Comment