x
d o c t o r s 2 4
13 Jul

আর্থ্রাইটিস এমন একটি রোগ, যা জয়েন্টগুলোতে ব্যথা ও ফোলাভাব সৃষ্টি করে, দৈনন্দিন জীবনকে কঠিন করে তোলে। যদিও এটি সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব নয়, তবে সঠিক জীবনযাত্রা ও চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে আপনি কি জানেন, আর্থ্রাইটিস শুধু জয়েন্টই নয়, হৃদয়ের স্বাস্থ্যকেও বিপন্ন করতে পারে? রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিসের মতো কিছু ধরনের আর্থ্রাইটিস হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আসুন জেনে নিই কীভাবে আর্থ্রাইটিস হৃদয়ের উপর প্রভাব ফেলে এবং কীভাবে এটি প্রতিরোধ করা যায়।

আর্থ্রাইটিস কীভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়?

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (RA) এবং সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটি�স (PsA) শরীরে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা জয়েন্টের পাশাপাশি রক্তনালী ও ধমনীকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই প্রদাহ অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বা ধমনী শক্ত হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, যার ফলে কোলেস্টেরল জমে এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। ফলস্বরূপ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের ঝুঁকি বাড়ে।

প্রদাহ শুধু ধমনীই ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও অতিরিক্ত সক্রিয় করে, যা হৃদপিণ্ডের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এছাড়া, আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধ, যেমন নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগস (NSAIDs), দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

আর্থ্রাই Jটিস ও হৃদরোগের লক্ষণ

আর্থ্রাইটিস রোগীদের মধ্যে হৃদরোগের ঝু� Ropeকি চিহ্নিত করতে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলোর দিকে নজর রাখুন:

  • বুকে ব্যথা বা অস্বস্তি।
  • শ্বাসকষ্ট বা অতিরিক্ত ক্লান্তি।
  • হাত-পায়ে ফোলাভাব বা তরল জমা।
  • অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা দ্রুত হৃদকম্পন।
  • মাথা ঘোটা বা হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্�.uri

কীভাবে আর্থ্রাইটিস ও হৃদরোগ নিয়ন্তසা

আর্থ্রাইটিস রোগীদের জন্য হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সঠিক জীবনযাত্রা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণের কিছু Hawkins, MD, MBA, এর পরামর্শে স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা গ্রহণ করুন।

  • নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: আর্থ্রাইটিস রোগীদের নিয়মিত হৃদরোগ পরীক্ষা করানো উচিত। এটি প্রাথমিক পর্যায়ে হৃদরোগ শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে।
  • ধূমপান ত্যাগ করুন: ধূমপান হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ধূমপান ত্যাগ করা উচিত।
  • মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন: মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন: ব্যায়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত।
  • স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করুন: স্বাস্থ্যকর খাদ্য হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। ফলমূল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন: ওজন নিয়ন্ত্রণ হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।
  • নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করুন: উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা উচিত।
  • নিয়মিত কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন: উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই নিয়মিত কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা উচিত।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা গ্রহণ করুন

আর্থ্রাইটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে নিম্নলিখিত জীবনযাত্রার পরিবর্তনগুলো গ্রহণ করুন:

  • ধূমপান ত্যাগ করুন: ধূমপান হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ধূমপান ত্যাগ করা উচিত।
  • মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন: মানসিক চাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন: ব্যায়াম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত।
  • স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করুন: স্বাস্থ্যকর খাদ্য হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। ফলমূল, শাকসবজি, গোটা শস্য এবং চর্বিহীন প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করুন।
  • ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন: ওজন নিয়ন্ত্রণ হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।
  • নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করুন: উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করা উচিত।
  • নিয়মিত কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন: উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই নিয়মিত কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা উচিত।

আর্থ্রাইটিস শুধু জয়েন্টের ব্যথা নয়, এটি হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। সঠিক জীবনযাত্রা, নিয়মিত চিকিৎসা এবং স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের মাধ্যমে আর্থ্রাইটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ত্যাগ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনি আপনার হৃদয় ও জয়েন্ট উভয়ের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে পারেন।

Leave A Comment