ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি একটি জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন ঠিকমতো কাজ করে না, তখন শরীর খুব সহজেই বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হয়। অনেক ক্ষেত্রে মূল রোগ ধরা পড়ার প্রায় এক বছর আগে থেকেই শরীর কিছু সতর্কতামূলক লক্ষণ দিতে শুরু করে। এই লক্ষণগুলো সময়মতো চিনতে পারলে বড় […]
ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অভাবজনিত রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘কমন ভ্যারিয়েবল ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি’ বা CVID। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে না। ফলে শরীর বারবার বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রোগের চূড়ান্ত লক্ষণগুলো প্রকট হওয়ার প্রায় ৬ মাস আগে থেকেই শরীর কিছু সূক্ষ্ম সংকেত পাঠাতে শুরু […]
ইমিউন সিস্টেমের বিরল ও বংশগত রোগগুলোর মধ্যে এক্স-লিঙ্কড অ্যাগামাগ্লোবুলিনেমিয়া (XLA) বা ‘ব্রুটনস ডিজিজ’ অত্যন্ত জটিল। সাধারণত এই রোগটি শিশুদের (মূলত ছেলেদের) ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সের পর থেকে ধরা পড়তে শুরু করে। তবে অনেক ক্ষেত্রে রোগটি পূর্ণরূপে শনাক্ত হওয়ার প্রায় ২ বছর আগে থেকেই শরীর এমন কিছু সংকেত দেয়, যা সাধারণ সর্দি-কাশি মনে করে […]
সেভিয়ার কম্বাইন্ড ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি (SCID), যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে ‘বাবল বয় ডিজিজ’ নামেও পরিচিত, এটি একটি অত্যন্ত বিরল এবং জীবনঘাতী জেনেটিক ব্যাধি। এই রোগে আক্রান্ত শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম বলতে গেলে প্রায় থাকেই না। সাধারণত জন্মের সময় শিশুকে সুস্থ মনে হলেও, শরীরের সুরক্ষা কবজ না থাকায় পরবর্তী কয়েক মাস তাদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ […]
ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস (DKA) হলো ডায়াবেটিসের এমন একটি জটিলতা যা অত্যন্ত দ্রুত এবং ভয়াবহভাবে শরীরে দানা বাঁধতে পারে। এটি মূলত টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা দিলেও ইনসুলিন-নির্ভর টাইপ-২ রোগীদের ক্ষেত্রেও এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। শরীরে ইনসুলিনের চরম অভাব দেখা দিলে কোষগুলো শক্তির জন্য গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে না, ফলে শরীর চর্বি বা ফ্যাট ভাঙতে শুরু […]
আমাদের শরীরের রক্তে অম্ল (Acid) এবং ক্ষারের (Base) একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় থাকে। যখন রক্তে ক্ষারের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, তখন সেই অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বলা হয় মেটাবলিক অ্যালকালোসিস। এটি সাধারণত শরীরে ইলেকট্রোলাইট বা খনিজ লবণের ভারসাম্য নষ্ট হলে, অতিরিক্ত বমি হলে বা কিডনির সমস্যায় দেখা দেয়। অনেকে মনে করেন এটি হঠাৎ করেই ঘটে, কিন্তু […]
ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিস একটি গুরুতর মেডিকেল কন্ডিশন, যা রক্তে অতিরিক্ত ল্যাকটিক অ্যাসিড জমার ফলে ঘটে। এটি সাধারণত তখনই হয় যখন শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় বা শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে শর্করা ভেঙে শক্তি তৈরি করতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে মেটফরমিন জাতীয় ডায়াবেটিসের ওষুধ, লিভারের সমস্যা বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের ফলে এই অবস্থা তৈরি হয়। ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিস হঠাৎ […]
শরীরে ক্যালসিয়াম শুধু হাড় ও দাঁত মজবুত রাখার উপাদান নয়—এটি স্নায়ু সঞ্চালন, পেশির সংকোচন, রক্ত জমাট বাঁধা এবং হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক স্পন্দনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেলে তৈরি হয় বিপজ্জনক অবস্থা হাইপোক্যালসেমিয়া (Hypocalcemia)। চিকিৎসকদের মতে, এই সমস্যা ধরা পড়ার প্রায় দুই সপ্তাহ আগে শরীর কিছু স্পষ্ট সতর্ক সংকেত দিতে শুরু করে, […]
আমাদের কিডনির ঠিক উপরে টুপির মতো ছোট দুটি গ্রন্থি থাকে, যার নাম অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ড। শুনতে ছোট মনে হলেও, এই গ্রন্থিগুলো আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য হরমোন—যেমন কর্টিসল (যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত) এবং অ্যালডোস্টেরন তৈরি করে। যখন এই গ্রন্থিগুলো পর্যাপ্ত হরমোন তৈরি করতে পারে না, তখন চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে বলা হয় অ্যাড্রিনাল ইনসাফিসিয়েন্সি (Adrenal Insufficiency)। […]
শরীরে ক্যালসিয়াম শুধু হাড় মজবুত রাখে না—হৃদযন্ত্রের স্পন্দন, স্নায়ুর কার্যক্রম এবং পেশির সংকোচনেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে গেলে তৈরি হয় জটিল অবস্থা—Hypercalcemia বা হাইপারক্যালসেমিয়া। চিকিৎসকদের মতে, এই সমস্যা ধরা পড়ার প্রায় এক সপ্তাহ আগে শরীর কিছু সূক্ষ্ম লক্ষণ দেখাতে শুরু করে, যা অনেকেই গুরুত্ব দেন না। হাইপারক্যালসেমিয়া কী? […]
