x
d o c t o r s 2 4

Blog Standard

হাইপোফসফেটেমিয়ার আগাম লক্ষণগুলো জেনে নিন

হাইপোফসফেটেমিয়ার আগাম লক্ষণগুলো জেনে নিন

রক্তে ফসফেটের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে যে অবস্থা তৈরি হয় তাকে বলা হয় হাইপোফসফেটেমিয়া। ফসফেট শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান, যা হাড় ও দাঁত গঠনে, কোষে শক্তি উৎপাদনে (ATP তৈরি), পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্রমে এবং কোষ বিভাজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাধারণত রক্তে ফসফেটের মাত্রা ২.৫–৪.৫ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার থাকে। এই মাত্রা দীর্ঘদিন কমে গেলে ধীরে ধীরে […]

হাইপারফসফেটেমিয়ার ১ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় যে ৬টি লক্ষণ

হাইপারফসফেটেমিয়ার ১ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় যে ৬টি লক্ষণ

হাইপারফসফেটেমিয়া (Hyperphosphatemia) বা রক্তে ফসফরাসের আধিক্য একটি নিরব ঘাতকের মতো। বিশেষ করে যারা কিডনির জটিলতায় ভুগছেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সাধারণত ফসফরাস আমাদের হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে, কিন্তু এর মাত্রা বেড়ে গেলে তা হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নেয় এবং রক্তনালীতে পাথর বা ক্যালসিফিকেশন তৈরি করে। সবচেয়ে ভীতিজনক বিষয় হলো, হাইপারফসফেটেমিয়া মারাত্মক […]

ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস (DVT) কী? জেনে নিন প্রতিরোধের উপায়

ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস (DVT) কী? জেনে নিন প্রতিরোধের উপায়

ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস বা DVT হলো একটি গম্ভীর শারীরিক অবস্থা, যেখানে পায়ের গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধে। সাধারণত এটি হ্যামস্ট্রিং বা কালভ অঞ্চলে বেশি দেখা যায়। DVT শুধুমাত্র স্থানীয় সমস্যাই তৈরি করে না, বরং যদি জমাট রক্ত প্রবাহ ধরে লাংসে চলে যায়, তবে পালমোনারি এমবোলিজম (PE) হওয়ার ঝুঁকি থাকে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে। তাই প্রাথমিক […]

হাইপোক্লোরেমিয়ার দুই সপ্তাহ আগেই শরীর যে ৪টি সতর্কবার্তা দেয়

হাইপোক্লোরেমিয়ার দুই সপ্তাহ আগেই শরীর যে ৪টি সতর্কবার্তা দেয়

রক্তে ক্লোরাইডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে যে অবস্থা তৈরি হয় তাকে বলা হয় হাইপোক্লোরেমিয়া। ক্লোরাইড একটি গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রোলাইট, যা শরীরের তরল ভারসাম্য, অ্যাসিড-ক্ষার সমতা (pH balance) এবং স্নায়ু ও পেশির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাধারণত রক্তে ক্লোরাইডের মাত্রা ৯৮–১০৬ মিলিমোল/লিটার থাকে। এর নিচে নেমে গেলে ধীরে ধীরে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের […]

হাইপারক্লোরেমিয়ার ১ সপ্তাহ আগে শরীরে দেখা দেয় ৩টি লক্ষণ

হাইপারক্লোরেমিয়ার ১ সপ্তাহ আগে শরীরে দেখা দেয় ৩টি লক্ষণ

হাইপারক্লোরেমিয়া হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে রক্তে ক্লোরাইডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যায় (স্বাভাবিক মাত্রা সাধারণত ৯৬-১০৬ mEq/L)। এটি সরাসরি কোনো রোগ নয়, বরং শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনো বড় সমস্যার প্রাথমিক সংকেত। অনেক সময় এই ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা মারাত্মক হওয়ার ১ সপ্তাহ আগে থেকেই শরীর কিছু সূক্ষ্ম লক্ষণ দেখাতে শুরু করে। আমাদের শরীরে জল এবং লবণের […]

রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ কমে গেলে দেখা দেয় যে সব লক্ষণ

রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ কমে গেলে দেখা দেয় যে সব লক্ষণ

রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে যে অবস্থা তৈরি হয়, তাকে বলা হয় হাইপোন্যাট্রেমিয়া। সোডিয়াম শরীরের তরল ভারসাম্য, স্নায়ুর সংকেত আদান-প্রদান এবং পেশির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাধারণত রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা ১৩৫–১৪৫ মিলিমোল/লিটার থাকে। এর নিচে নেমে গেলে শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, গুরুতর জটিলতা শুরুর […]

কীভাবে বুঝবেন রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে গেছে?

কীভাবে বুঝবেন রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে গেছে?

হাইপারন্যাট্রেমিয়া বা রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা। শরীরের কোষ থেকে জল বের হয়ে যাওয়ার ফলে সোডিয়ামের ঘনত্ব বেড়ে গেলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় লক্ষণগুলো প্রকট হওয়ার আগেই শরীর কিছু সংকেত দেয়। যখন রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে (১৪৫ mEq/L) বেশি হয়ে যায়, তখন তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় হাইপারন্যাট্রেমিয়া (Hypernatremia) […]

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতির কারণ, লক্ষণ ও সমাধান জেনে নিন

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতির কারণ, লক্ষণ ও সমাধান জেনে নিন

ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ঘাটতি একটি জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন ঠিকমতো কাজ করে না, তখন শরীর খুব সহজেই বিভিন্ন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হয়। অনেক ক্ষেত্রে মূল রোগ ধরা পড়ার প্রায় এক বছর আগে থেকেই শরীর কিছু সতর্কতামূলক লক্ষণ দিতে শুরু করে। এই লক্ষণগুলো সময়মতো চিনতে পারলে বড় […]

যে যে লক্ষণের কারণে শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয় না!

যে যে লক্ষণের কারণে শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয় না!

ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার অভাবজনিত রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ‘কমন ভ্যারিয়েবল ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি’ বা CVID। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে না। ফলে শরীর বারবার বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রোগের চূড়ান্ত লক্ষণগুলো প্রকট হওয়ার প্রায় ৬ মাস আগে থেকেই শরীর কিছু সূক্ষ্ম সংকেত পাঠাতে শুরু […]

জটিল রোগ এক্স-লিঙ্কড অ্যাগামাগ্লোবুলিনেমিয়ার লক্ষণকে সর্দি-কাশি ভেবে অবহেলা নয়

জটিল রোগ এক্স-লিঙ্কড অ্যাগামাগ্লোবুলিনেমিয়ার লক্ষণকে সর্দি-কাশি ভেবে অবহেলা নয়

ইমিউন সিস্টেমের বিরল ও বংশগত রোগগুলোর মধ্যে এক্স-লিঙ্কড অ্যাগামাগ্লোবুলিনেমিয়া (XLA) বা ‘ব্রুটনস ডিজিজ’ অত্যন্ত জটিল। সাধারণত এই রোগটি শিশুদের (মূলত ছেলেদের) ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সের পর থেকে ধরা পড়তে শুরু করে। তবে অনেক ক্ষেত্রে রোগটি পূর্ণরূপে শনাক্ত হওয়ার প্রায় ২ বছর আগে থেকেই শরীর এমন কিছু সংকেত দেয়, যা সাধারণ সর্দি-কাশি মনে করে […]