ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিস একটি গুরুতর মেডিকেল কন্ডিশন, যা রক্তে অতিরিক্ত ল্যাকটিক অ্যাসিড জমার ফলে ঘটে। এটি সাধারণত তখনই হয় যখন শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায় বা শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে শর্করা ভেঙে শক্তি তৈরি করতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রে মেটফরমিন জাতীয় ডায়াবেটিসের ওষুধ, লিভারের সমস্যা বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের ফলে এই অবস্থা তৈরি হয়। ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিস হঠাৎ […]
শরীরে ক্যালসিয়াম শুধু হাড় ও দাঁত মজবুত রাখার উপাদান নয়—এটি স্নায়ু সঞ্চালন, পেশির সংকোচন, রক্ত জমাট বাঁধা এবং হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক স্পন্দনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেলে তৈরি হয় বিপজ্জনক অবস্থা হাইপোক্যালসেমিয়া (Hypocalcemia)। চিকিৎসকদের মতে, এই সমস্যা ধরা পড়ার প্রায় দুই সপ্তাহ আগে শরীর কিছু স্পষ্ট সতর্ক সংকেত দিতে শুরু করে, […]
আমাদের কিডনির ঠিক উপরে টুপির মতো ছোট দুটি গ্রন্থি থাকে, যার নাম অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ড। শুনতে ছোট মনে হলেও, এই গ্রন্থিগুলো আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য হরমোন—যেমন কর্টিসল (যা স্ট্রেস হরমোন নামে পরিচিত) এবং অ্যালডোস্টেরন তৈরি করে। যখন এই গ্রন্থিগুলো পর্যাপ্ত হরমোন তৈরি করতে পারে না, তখন চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে বলা হয় অ্যাড্রিনাল ইনসাফিসিয়েন্সি (Adrenal Insufficiency)। […]
শরীরে ক্যালসিয়াম শুধু হাড় মজবুত রাখে না—হৃদযন্ত্রের স্পন্দন, স্নায়ুর কার্যক্রম এবং পেশির সংকোচনেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে গেলে তৈরি হয় জটিল অবস্থা—Hypercalcemia বা হাইপারক্যালসেমিয়া। চিকিৎসকদের মতে, এই সমস্যা ধরা পড়ার প্রায় এক সপ্তাহ আগে শরীর কিছু সূক্ষ্ম লক্ষণ দেখাতে শুরু করে, যা অনেকেই গুরুত্ব দেন না। হাইপারক্যালসেমিয়া কী? […]
শ্বাসপ্রশ্বাস শুধু অক্সিজেন নেওয়া আর কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করার প্রক্রিয়া নয়—এটি শরীরের অ্যাসিড-ক্ষার ভারসাম্য রক্ষার অন্যতম প্রধান উপায়। যখন ফুসফুস পর্যাপ্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করতে ব্যর্থ হয়, তখন রক্তে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে তৈরি হয় বিপজ্জনক অবস্থা রেসপিরেটরি অ্যাসিডোসিস—Respiratory acidosis। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবস্থা হঠাৎ তৈরি হলেও প্রায় দুই সপ্তাহ আগে শরীরে কিছু স্পষ্ট সতর্ক সংকেত […]
দাঁত মাজার সময় কি মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ছে? অথবা খেয়াল করেছেন কি মাড়ি আগের চেয়ে নিচে নেমে যাচ্ছে? একে কেবল সাধারণ সমস্যা ভেবে ভুল করবেন না। এটি হতে পারে পেরিওডন্টাইটিস (Periodontitis)-এর লক্ষণ। এটি কেবল সাধারণ দাঁতের রোগ নয়, বরং মাড়ি ও দাঁতকে ধরে রাখা হাড়ের একটি গুরুতর ইনফেকশন। ২০২৬ সালের সর্বশেষ চিকিৎসা গবেষণা বলছে, পেরিওডন্টাইটিস […]
শরীরের ভেতরে অ্যাসিড ও ক্ষারের সূক্ষ্ম ভারসাম্য আমাদের সুস্থ থাকার অন্যতম শর্ত। এই ভারসাম্য নষ্ট হয়ে রক্ত অতিরিক্ত অম্লীয় হয়ে গেলে তৈরি হয় বিপজ্জনক অবস্থা—Metabolic acidosis বা মেটাবলিক অ্যাসিডোসিস। অনেক ক্ষেত্রেই রোগটি হঠাৎ করে ধরা পড়ে, কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তত এক সপ্তাহ আগে শরীর কিছু সতর্কবার্তা দিতে শুরু করে। সেই লক্ষণগুলো চিনতে পারলে বড় জটিলতা […]
অ্যালার্জি মানেই কি কেবল চুলকানি বা একটু হাঁচি-কাশি? মোটেও না। কখনো কখনো শরীরের সাধারণ একটি অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়ায় জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় অ্যানাফাইলেক্সিস (Anaphylaxis)। এটি এমন এক মারাত্মক পরিস্থিতি যেখানে অ্যালার্জেন (যেমন: বাদাম, চিংড়ি, মৌমাছির হুল বা নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ) শরীরের সংস্পর্শে আসার কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিটের মধ্যে […]
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হঠাৎ করেই জীবনঝুঁকিপূর্ণ জটিলতা দেখা দিতে পারে। তেমনই একটি মারাত্মক অবস্থা হলো হাইপারওসমোলার হাইপারগ্লাইসেমিক স্টেট, Hyperosmolar Hyperglycemic State (এইচএইচএস)। এটি মূলত টাইপ–২ ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে বেশি দেখা যায় এবং দ্রুত চিকিৎসা না পেলে কোমা বা মৃত্যুঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবস্থার প্রায় ৪৮ ঘণ্টা আগে শরীরে কিছু সতর্ক সংকেত […]
দুর্লভ হলেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রোগ হলো Hyper IgE Syndrome বা হাইপার ইমিউনোগ্লোবুলিন ই সিন্ড্রোম (এইচআইইএস)। এটি এক ধরনের প্রাইমারি ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি, যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে বারবার সংক্রমণ, ত্বকের সমস্যা এবং ফুসফুসজনিত জটিলতা দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগটি ধরা পড়ার অন্তত তিন মাস আগে শরীরে কিছু সতর্কতামূলক লক্ষণ দেখা দিতে […]